ফাইজারের আরও ১০ লাখ টিকা আসছে সোমবার





শেয়ার

ফাইজারের আরও ১০ লাখ ডোজ করোনার টিকা আসবে আগামী ৩০ আগস্ট (সোমবার) বলে জানা গেছে।

ওইদিন সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় রাজধানীর হযরত শাহজালাল (রাহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাতার এয়ারওয়েজের মাধ্যমে আমেরিকার উপহার কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিজের আওতায় ফাইজারের এ ১০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে এসে পৌঁছাবে।

ওই দিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। গতকাল সোমবার (২৩ আগস্ট ) দুপুরে মন্ত্রিসভার বেঠক শেষে সচিবালয়ে সেপ্টেম্বরেই আমেরিকা থেকে আরও ৬০ লাখ ডোজ ফাইজার ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সেই ৬০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিনের অংশ হিসেবে আগামী ৩০ আগস্ট (সোমবার) সন্ধ্যায় এ ১০ লাখ ডোজ দেশে আসছে। পরবর্তীতে ক্রমান্বয়ে আরও ৫০ লাখ ডোজ ফাইজারের ভ্যাকসিন সেপ্টেম্বরের মধ্যেই দেশে পৌঁছবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এদিকে বিশ্বে প্রথম করোনার টিকা হিসেবে স্থায়ী অনুমোদন পেল ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনার টিকা। এর আগে এটি শুধু জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

সোমবার (২৩ আগস্ট ) যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন-ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) এ তথ্য জানিয়েছে। করোনার ডেল্টা ধরন রুখতে কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়ায় ফাইজারের টিকাকে স্থায়ী ছাত্রপত্র দেওয়া হলো।

এফডিএর কমিশনার জেনেট উডকক বলেন, এ সিদ্ধান্ত আমাদের কাছে একটি মাইলফলক। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা টিকা নেওয়ার জন্য আরও আত্মবিশ্বাসী হবেন। তার দাবি, মানবদেহে দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্নেষণ করেই ফাইজারকে পূর্ণাঙ্গ ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তাই যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ, ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সের সবার জন্য ফাইজার ভ্যাকসিনের পূর্ণ অনুমোদনের কথা ঘোষণা করল।

এ কমিশনার জেনেট উডকক সোমবার বিবৃতিতে আরও জানান, জনগণ এখন আশ্বস্ত হতে পারেন এফডিএ একটি দ্রব্য অনুমোদনের জন্য যে নিরাপত্তা, কার্যকারিতা ও গুণগত মান আশা করে, এ ভ্যাকসিন তা সফলভাবে অর্জন করেছে। গত ডিসেম্বর মাসে, ফাইজার-বায়োএনটেকের ভ্যাকসিনকে জরুরি ভিত্তিতে অনুমোদন দেওয়া হয়।

বহু বিশেষজ্ঞ এখন আশাবাদী যে ভ্যাকসিনের পূর্ণ অনুমোদন সন্দেহপ্রবণ লোকজনকে টিকা নিতে উৎসাহিত করবে। বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র যখন আরও দ্রুত সংক্রমণশীল ডেল্টা ভেরিয়েন্টের বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছে।

স্থায়ী অনুমোদনের পর ফাইজার সংস্থার সিইও আলবার্ট বুরলা আশা করেন, এ সিদ্ধান্ত আমাদের ভ্যাকসিনের ওপর আস্থা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে, কারণ জীবন বাঁচাতে এই ভ্যাকসিনই সর্বোত্তম পন্থা বলে বিবেচিত।

এর গত ডিসেম্বরে আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ফাইজারের টিকাকে ছাড়পত্র দিয়েছিলেন। তার আগে ব্রিটেন, বাহরাইন, কানাডা, সৌদি আরব ও মেক্সিকো সরকারের জরুরি অনুমোদন পেয়েছিল ফাইজার। জানায় বিবিসি।

সারাদেশ


শেয়ার