চিত্রনায়িকা শিল্পী যেমন আছেন





শেয়ার

চিত্রনায়িকা শিল্পী। প্রায় দুই দশক ধরে তিনি চলচ্চিত্রে নেই। তবুও দর্শকের আগ্রহ কমেনি তার প্রতি। এখনো এ নায়িকা সম্পর্কে জানতে চান তার ভক্তরা। ২০০১ সালের শেষের দিকে মুক্তি পায় শিল্পীর শেষ ছবি। বর্তমানে শিল্পীর সব ব্যস্ততা সংসার ঘিরেই। শিল্পী বলেন, আমি তো কাজ ছেড়ে দিয়েছি। আমার দুই সন্তান আছে।

 

মোটামুটি ছোটই তারা। ওদের স্কুল, লেখাপড়া, সংসার নিয়েই আমার ব্যস্ততা। সংসার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লেও এফডিসিকে ভোলেননি শিল্পী। তিনি বলেন, আমি সবকিছুকে মিস করি। প্রতি মুহূর্তকে মিস করি। কারণ, আমি শিল্পী। আমার শিল্পীর অস্তিত্ব তো এই জগৎ থেকেই এসেছে। এই যে আজকে আমার ইন্টারভিউ করছেন, আমি যদি চলচ্চিত্রে না থাকতাম, শিল্পী না হতাম, আপনি আমার ইন্টারভিউ করতে আসতেন না। এই চলচ্চিত্র আমাকে অনেককিছু দিয়েছে। আমি ফিল্ম ছেড়েছি ২০০০ সালে। ছবি ছাড়ার পরও কোথাও গেলে মানুষ এতো ভালোবাসা দেখায় অবাক হই। এত বছর হয়ে গেছে, আগের চেহারা চেঞ্জ হয়েছে। তখন টিনএজার ছিলাম, এখন তো নেই। তার পরেও দেশ-বিদেশে যেখানে যাই, মানুষ আমাকে দেখলে চেনে। আমাকে দেখলে কথা বলে, ছবি তোলে।  আমার সঙ্গে কথা বলতে পছন্দ করে, বা আমার পুরোনো ছবি নিয়ে কথা বলে। এটা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। কেন এখন কাজ করছেন না? শিল্পী বলেন, কাজ করার সুযোগ তখনো ছিল, এখনো আছে। কেউ যদি মন থেকে করতে চায়, কাজ করার সুযোগ থাকে। বিয়ে করার পরে ২০১২ সালে আমার ছেলে হয়েছে, ২০১৪ সালে আমার মেয়ে হয়েছে। তারপর থেকে আমি বাচ্চাদের নিয়ে ব্যস্ত। সে কারণে আমার কাজের জন্য সময় হয় না। আমি শিল্পী যা পাওয়ার পেয়ে গিয়েছি, এখন আমার জীবন বাচ্চাদের নিয়ে। চিত্রনায়িকা শিল্পীর প্রথম ছবি মোহাম্মদ হোসেন পরিচালিত ‘বাংলার কমান্ডো’ ১৯৯৫ সালের ১১ই মে মুক্তি পায়। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘প্রিয়জন’, ‘বাবা কেন চাকর’, ‘শেষ প্রতীক্ষা’, ‘মুক্তি চাই’, ‘লাভলেটার’, ‘বীর সন্তান’, ‘মিথ্যার মৃত্যু’, ‘দোস্ত আমার দুশমন’, ‘গৃহবধূ’, ‘কে আমার বাবা’, ‘রাজপথের রাজা’, ‘শক্তের ভক্ত’ ও ‘সুজনবন্ধু’।

বিনোদন


শেয়ার