১৩ বারের চ্যাম্পিয়নদের গলার কাঁটা এখন চেলসি।





শেয়ার

ইস্তানবুলের এক দল ম্যানচেস্টার সিটি। এবার দ্বিতীয় ফাইনালিস্ট নির্ধারণের পালা। সে লক্ষে লন্ডনে আজ রাতে মাঠে নামবে রিয়াল মাদ্রিদ এবং চেলসি। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায়। প্রথম লেগ ড্র হলেও একটা অ্যাওয়ে গোলের সুবাদে ম্যাচে অনেকটাই এগিয়ে আছে ব্লুরা। অন্যদিকে হোম ম্যাচে গোল খেয়ে অস্বস্তিতে রিয়াল শিবির।

দল দুটো এর আগে কখনই চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মুখোমুখি হয়নি একে অপরের। চলতি আসরে সেমিফাইনালের প্রথম লেগটাই ছিল তাদের প্রথম ইউসিএল লড়াই। কিন্তু সেখানেও যে জিততে পারেনি কোনো দল। যদিও মূল্যবান একটা অ্যাওয়ে গোলের হিসেবে কিছুটা এগিয়েই আছে লন্ডনের ক্লাবটি।

কিন্তু ওই গোলের চেয়েও বেশি অস্বস্তিতে আছে রিয়াল শিবির। ১৩ বারের চ্যাম্পিয়নদের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দেখা দিয়েছেন চেলসি বস থমাস টুখেল। এ জার্মানের বিপক্ষে কখনোই যে জিততে পারেননি জিনেদিন জিদান। ৫ দেখার প্রতিবারই কোনোরকমে পিছু হটতে হয়েছে জিজুকে। তাই জিততে হলে যে ইতিহাস গড়তে হবে লস ব্লাঙ্কোদের।
তবে, লন্ডনের ম্যাচের আগে দল হিসেবে দারুণ ছন্দে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। লিগ ম্যাচগুলোতে টানা জয়ে আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে বেনজামা-ইসকোদের। সঙ্গে ইনজুরি কাটিয়ে ফিরেছেন সার্জিও রামোস এবং এডেন হ্যাজার্ড। স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে শুরু থেকেই দেখা যেতে পারে এ দুজনকে। এ ছাড়া করোনা টেস্টে নেগেটিভ হয়ে শেষ মুহূর্তে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ভালভার্দে আর নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে ছুটি নিয়ে লন্ডন এসেছেন মার্সেলো। মেন্ডি এবং টনি ক্রুসও ফিট আছেন ম্যাচের জন্য।

এতো ভালো নাকি ভালো নয়, চোখ লেগে গেছে দুর্মুখের। রামোস-মার্সেলো ফেরার দিনে তাই স্কোয়াডে থাকবেন না কারবাহাল এবং ভারানে। চোট পেয়ে ছিটকে গেছেন দুজনই।

রিয়াল মাদ্রিদের কোচ জিনেদিন জিদান বলেন, রামোস-হ্যাজার্ড ফিট আছে। মার্সেলো-ভালভার্দেও চলে এসেছে। এর চেয়ে বেশি আমি আর কি চাইব। এখন আশা একটাই, তারা তাদের নিজেদের সেরাটা দিয়ে মাঠে পারফর্ম করবে। ওরা আমাদের মাঠে একটা গোল করে এসেছে। সেটা তাদের এগিয়ে রাখলেও গোলের সংখ্যাটা মাত্র এক। ছেলেরা চাইলে এগুলো কোনো বিষয়ই নয়। আমরা সেমিফাইনাল খেলতে নামছি, তার মানে দুটি ম্যাচ জিতলেই আবারো শিরোপা জিতব। এটা সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।

এদিকে এগিয়ে থাকার সুযোগে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হতে ফুটবলারদের নিষেধ করেছেন থমাস টুখেল। গোলশূন্য ড্র করলেই ইস্তানবুলের টিকিট চলে আসবে হাতে। তাই বলে নেতিবাচক ফুটবল খেলার ইচ্ছে নেই জার্মান বসের। আক্রমণাত্মক ফুটবলের কুপোকাত করতে চান স্প্যানিশদের।

ইনজুরি নিয়ে ভাবনা নেই ব্লু ব্রিগেডে। কোভাসিচ ছাড়া ম্যাচ ফিট আছেন সবাই। জিদানের কৌশলকে ভণ্ডুল করে দিতে প্রস্তুত আছে তারা। চেলসির কোচ থমাস টুখেল বলেন, প্রথম লেগে কি হয়েছিল, আমি ভুলে গেছি। এটা নতুন ম্যাচ, নতুন করে ভাবতে হবে। রামোস-মার্সেলো ফিরে আসাটা তাদের জন্য ইতিবাচক হলেও আমার জন্য দুশ্চিন্তার। তবে ছেলেরা খুব ভালো ছন্দে আছে। আমি আশা করব, রিয়ালের মাঠে যে খেলাটা খেলেছি; সেটার পুনরাবৃত্তি করতে পারব।

আতার্তুক অলিম্পিক স্টেডিয়ামে অল ইংল্যান্ড ফাইনাল না ইংল্যান্ড বনাম স্পেন ম্যাচ হবে তা জানতে অপেক্ষা এখন কিছু ঘণ্টার।

আই.এইচ.এন/খেলার সময়

ফুটবল


শেয়ার