আজকের সর্বশেষ

সভাপতি- খায়রুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক- কেফায়েতুল্লাহ কায়সার। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম বিভাগের নতুন কমিটি

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হলেন চট্টগ্রামের সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম, ও যুগ্ম মহাসচিব কেফায়েতুল্লাহ কায়সার

চ্যানেল কৃষি সন্মাননা পেলেন লেখক ও সংগঠক শামছুল আরেফিন শাকিল

চ্যানেল কৃষি সন্মাননা পেলেন নির্মাতা ও অভিনেতা মোশারফ ভূঁইয়া পলাশ

আইএফআইসি ব্যাংক শিবের হাট উপশাখা উদ্বোধন

জাপান বুঝিয়ে দিলো ফুটবল শুধু পশ্চিমের নয়

বাকবিশিস'র ১০ জাতীয় সম্মেলন সম্পন্ন : ড. নুর মোহাম্মদ তালুকদার সভাপতি, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

অধ্যক্ষ শিমুল বড়ুয়া বাকবিশিস'র কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নির্বাচিত


ভোট কোন পদ্ধতিতে হবে সেটা আমাদের বিষয়





শেয়ার

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কত আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ হবে সে সিদ্ধান্ত  নেবে নির্বাচন কমিশন। বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। গতকাল নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে (ইটিআই) আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এ মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের ৩০০ আসনে ইভিএমে ভোট করার সক্ষমতা নেই। এ বিষয়ে ইসি রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত শুনবে। তবে কত আসনে ইভিএমে ভোট হবে বা নির্বাচন কীভাবে হবে- সে সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনই নেবে। ‘ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের জন্য প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক ওই কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. খোন্দকার হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন। আগামী বছরের শেষভাগে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। সংসদের বাইরে থাকা বিরোধী দল বিএনপি আগে থেকেই ইভিএমের বিরোধিতা করে আসছে। গত শনিবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইভিএম নিয়ে নিজের মতামত ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, ছবিসহ ভোটার তালিকা এবং এখন ইভিএম- অর্থাৎ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেবে

বিজ্ঞাপন

সঙ্গে সঙ্গে ভোটের রেজাল্ট পাবে। যাতে মানুষ ভোট দিতে পারে, আমরা সেটাই চাই। নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে আওয়ামী লীগের সভায় ওই আলোচনা কতটা প্রাসঙ্গিক হয়েছে, সেই প্রশ্ন তুলেছে সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সিইসি হাবিবুল আউয়াল বলেন, ভোটগ্রহণ ইভিএমে কীভাবে হবে, ব্যালটে কীভাবে হবে, কতটা ইভিএমে হবে, কতটা ব্যালটে হবে- এসব ব্যাপারে ইসি এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি, বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। গণমাধ্যমে বিভিন্ন দলের বক্তব্য আসছে। এটা জানি না, এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নাকি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেছেন। এটা স্পষ্ট নয়। আমাদের বক্তব্যও জানানো হয়েছে। নির্বাচন অনুষ্ঠান করার দায়িত্ব আমাদের। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলা আর বিএনপি প্রধান বলা, জাসদের কথা বলা- এটা ভিন্ন জিনিস। অনেকে তাদের ইচ্ছা ব্যক্ত করতে পারেন। সিইসি বলেন, এখন পর্যন্ত একশ’র মতো আসনে ইভিএমে ভোট করার সক্ষমতা ইসি’র আছে। তবে ৩০০ আসনে ইভিএমে ভোট নেয়ার সামর্থ্য এখনো নেই। ৩০০ আসনের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো ইসি নেয়নি। সিদ্ধান্ত আমাদের। সকলের কথা আমরা বিবেচনা করতে পারি। রাজনৈতিক দল মতামত দিতে পারে, সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে আমরা স্বাধীন। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ইভিএমে ভোট দেয়ার বিষয়ে আমরা এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। আমরা ইতিমধ্যে অনেকগুলো সভা করেছি। সময় হলে সিদ্ধান্ত হবে। ভোট আমরা পরিচালনা করবো, এটা আমাদের এখতিয়ার, পদ্ধতিও আমাদের এখতিয়ারভুক্ত।

 

জাতীয়


শেয়ার