বোয়ালখালীতে শ্রীশ্রী কালাচাঁদ ঠাকুর মন্দিরে বার্ষিক মহোৎসব সম্পন্ন





শেয়ার

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পোপাদিয়ায় শ্রীশ্রী কালাচাঁদ ঠাকুর মন্দিরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩দিন ব্যাপী বার্ষিক মহোৎসব ঠাকুরবাড়ী অঙ্গণে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। 

 

এ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসুচীর মধ্যে ছিল-শ্রীমদ্ভগবত গীতা পাঠ, চন্ডী পাঠ, শ্রীশ্রী ঠাকুরের পুজা, ভোগারতি, স্থানীয় ৬০ জন শিল্পীর পরিবেশনায় ধমীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ষোড়শপ্রহর ব্যাপী মহানামযজ্ঞ, আলোচনা সভা ও প্রতিদিন দুপুর-রাতে প্রসাদ বিতরণ। প্রতিদিন নামসুধা বিতরণে ছিলেন-বৈষ্ণব নারায়ন দে সম্প্রদায় (ভোলা), শ্রী গোবিন্দ ভক্ত সম্প্রদায় (গোপালগঞ্জ), আদি গীতাঞ্জলি সম্প্রদায় (মাদারীপুর), শ্রী শ্রী জগন্নাথ সম্প্রদায় (চট্টগ্রাম) ও শ্রীগুরু সংঘ (চট্টগ্রাম)। গীতা  ও চন্ডী পাঠ করেন পষিদের কর্মকর্তা জ্যোতির্ম্ময় চৌধুরী। 

 

ঠাকুরবাড়ী পরিচালনা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কিরণ কুমার ভঞ্জের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রাজেন্দ্র প্রসাদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের প্রথম দিন রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম সেলিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বোয়ালখালী পৌর কাউন্সিলর সুনীল চন্দ্র ঘোষ, পোপাদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এস এম জসিম উদ্দিন, কানুনগোপাড়া ড. বি.বি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাপন ভঞ্জ ও পোপাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ বিশ্বাস বাপ্পী। পরিষদের কর্মকর্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রনজিত চৌধুরী বাচ্চু, শ্যামল মজুমদার, বরুন ভট্টাচার্য, জ্যোতির্ম্ময় চৌধুরী, প্রদীপ মল্লিক, রনজিত কুমার শীল, বিটু মিত্র, পলাশ গাঙ্গুলী, তুষার নন্দী ফুলু, লিটন ঘোষ প্রমূখ।

 

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত বোয়ালখালী। এখানে সকল ধর্মাবলম্বীদের মাজার ও মঠ-মন্দিরসহ প্রখ্যাত ধমীয় পীঠস্থান রয়েছে। সর্বধর্মের সমন্বয়ে সকল ধর্মের লোকজন দীর্ঘকাল ধরে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে নিজ নিজ ধর্ম-কর্ম পালন করে আসছে। শ্রীশ্রী কালাচাঁদ ঠাকুরের আদর্শ বুকে ধারণ করতে পারলে মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসমুক্ত সুশীল সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব হবে।

 

চট্টগ্রাম


শেয়ার