‘বঙ্গবন্ধু যা দিয়ে গেছেন, তা আমাদেরকে ধরে রাখতে হবে’





শেয়ার

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙ্গালীর জন্য যা করে দিয়ে গেছেন তা আমাদেরকে ধরে রাখতে হবে। আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি আছে, আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্য আছে, সেই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে। পাকিস্তানী শাসকরা আঘাত হেনেছিল আমাদের সংস্কৃতি উপর, ভাষার উপর। এর প্রতিবাদ শুরু করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে সারা বিশ্বে যে মর্যাদা পেয়েছে, এই মর্যাদা ধরে রেখে আমরা বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব। 

 

আজ ১৭ মার্চ বুধবার চট্টল ইয়ুথ কয়ার, বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন (বেসরকারি) জাতীয় কমিটি, স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন পরিষদের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পনের পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংস্কৃতিক সংগঠক যদুগোপাল বৈষ্ণবের সভাপতিত্বে এবং সাংস্কৃতিক সংগঠক লায়ন সুজিত দাশ অপুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জননেতা মফিজুর রহমান। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম চিশ্তী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এড. সাধন চন্দ্র মজুমদার, সংগঠক প্রনবরাজ বড়–য়া, সুজিত চৌধুরী মিন্টু, কবি সজল দাশ, বিপুল বরণ লোধ, ডাঃ রতন চক্রবর্তী, নিহার ভট্টাচার্য্য, রিংকু ধর, রীনা তালুকদার প্রমুখ। 

 

আজ থেকে ১০০ বছর আগে টুঙ্গীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন বাংলার রাখাল রাজা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ২০২১ সাল বাঙ্গালীদের একটি অবিস্মরণীয় বছর, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র জন্মশতবর্ষ। তারই ধারবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী (বেরসকারি) উদ্যাপন কমিটি ও চট্টল ইয়ুথ কয়ারের উদ্দ্যেগে ২০১৪ সাল হতে স্কুল ভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বঙ্গবন্ধু লিখ, আঁক, শিখ কর্মসূচী, বঙ্গবন্ধু নৌকা বাইচ, বুলবুল উৎসব, চট্টগ্রামে মেয়র স্বর্ণপদক প্রতিযোগিতা, পিঠা উৎসব, নারী দিবস, শহীদ দিবস, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালন করেছে।

 

চট্টগ্রাম


শেয়ার