তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রোগ্রামে তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধি সম্ভব





শেয়ার

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ও ঘোষণা এখন দৃশ্যমান। তরুণ উদ্যোক্তারা তাদের উদ্ভাবনী শক্তি ও মেধা দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশের কনসেপ্টের মাধ্যমে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ার উদ্যোগে নব চেতনার সৃষ্টি হয়েছে। এখন চাইলেই কিশোর তরুণরা তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নিজেকে পরিবর্তন করে সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে। একজন ভালো সংগঠক ইনোভেশনকে জাগিয়ে তোলে। তিনি আজ রোববার সকালে নগরীর সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় স্টার্টআপ আয়োজিত বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্ট (বিগ) অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। 

 

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আ.স.ম জামসেদ খোন্দকার (শিক্ষা ও আইসিটি) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমী প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সৈয়দ মুজিবুল হক, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (যুগ্ম সচিব) মো. মিজানুর রহমান, কম্পিউটার বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. আসাদুজ্জামান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আরিফ ইফতেখার, স্টার্টআপের ফাউন্ডার এবং সিইও  আরাফাতুল ইসলাম আকিব। কী-নোট উপস্থাপন করেন উদ্ভাবন উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমীর সিনিয়র পরামর্শক (সিনিয়র সহকারী সচিব) আর এইচ এম আলাওল কবির। 

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আরো বলেন, এ বছরের মধ্যে আজকের দিনটা আমার জীবনের সেরাদিন। অনুষ্ঠানে কী-নোট উপস্থাপনকালে আমি ধৈর্য্য ও মনোযোগ দিয়ে সরকারের নেয়াউদ্যোগগুলো শুনে মুগ্ধ। রাষ্ট্র এখন কিশোর-তরুণদের বিজ্ঞান ভিত্তিক সৃজনশীল করার প্রয়োজনে খানসামার ভূমিকা পালন করছে। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে জড়াচ্ছে। আমি আশাকরি প্রধানমন্ত্রীর জ্ঞান নির্ভর অর্থনীতি গড়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে। 

 

অনুষ্ঠানের আয়োজকদের সূত্রে জানা যায় সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও একাডেমি প্রতিষ্ঠানকরণ প্রকল্প (আইডিয়া) থেকে নানামুখি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্ট সংক্ষেপে বিগ আয়োজন। এর আওতায় আইডিয়া প্রকল্প থেকে তরুণ উদ্যোগ অর্থাৎ স্টার্টআপদের নতুন উদ্ভাবনী ধারনাকে উৎসাহিত করে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০২০-২১ সালে মুজিব শতবর্ষে ১০০ স্টার্টআপকে গ্র্যান্ট প্রদান করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েচে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ৩৫টি স্ট্যার্টআপকে ১০ লক্ষ টাকা করে গ্র্যান্ট প্রদান করা হবে। 

 

পুরো প্রোগ্রামের পেছনে সরকারের ব্যয় হবে ২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সরকারের উদ্দেশ্য স্টার্টআপদের মাধ্যমে দেশে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ নিয়ে আসা। এর মাধ্যমে বেস্ট স্টার্টআপদের তুলে আনতে চায় সরকার। সরকারি ধারণা মতে একেকজন স্টার্টআপ এর মাধ্যমে পার ক্যাপিটাল ১৩ হাজার মার্কিন ডলার উপার্যন করতে পারবে। ফলে এখন বৈদেশিক আয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পোষাক খাতের দিকে তাকিয়ে থাকা লাগবে না। 

 

চট্টগ্রাম


শেয়ার