জিইসি মোড়ের ক্যান্ডিতে বিভিন্ন অনিয়ম,লাখ টাকা জরিমানা





শেয়ার

চট্টগ্রাম: নগরীর চকবাজার থানার জিইসি মোড়ের ক্যান্ডিকে চরম অস্বাস্থ্যকর ফ্রিজে খাদ্যদ্রব্য ও রান্নাকরা মাংস পলিথিন ব্যাগে  রাখায় এবং ময়লা পাত্রে খাদ্যোপকরণ সংরক্ষণ এবং ময়লাযুক্ত খাদ্যোপকরণ ব্যবহার করায় ১ লাখ টাকা জরিমানা করে এবং সার্বিক পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় কর্তৃক আজ ২ ডিসেম্বর বুধবার চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবরশাহ্ ও চকবাজার থানায় তদারকিমূলক অভিযানে এসব বিষয় চোখে পড়ে।

এছাড়াও এশিয়ান কাবাবকে খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে ছাপাসংবাদপত্র ব্যবহার ও কিচেনে নোংরা পানি জমে থাকায় ৬ হাজার টাকা জরিমানা করে সাবধান করা হয়। অফটাইম স্ন্যাক্সকে উৎপাদন ও মেয়াদবিহীন পণ্য রাখায় ৫হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দি ইয়াম ইয়াম স্টোরকে উৎপাদন মেয়াদবিহীন পণ্য ও খাদ্যদ্রব্য রাখায় ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের মেয়াদ তুলে ফেলায়  ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে বর্ণিত পণ্য ধ্বংস করা হয়।

অপরদিকে আকবরশাহ থানার ফয়'স লেকের লাকী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টকে অননুমোদিত এনার্জি ড্রিঙ্ক রাখায় ৮ হাজার টাকা জরিমানা করে বর্ণিত এনার্জি ড্রিঙ্ক ধ্বংস করা হয়। মূল্যতালিকা না দেখিয়ে ভোক্তাদের বেশি দামে খাদ্যদ্রব্য বিক্রয় করায় ফ্রেশ ফুড কর্ণারকে ৮ হাজার টাকা, গোল্ড হিলকে ১০ হাজার টাকা ও আশা রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে সাবধান করা হয়।

সকাল ১০টা হতে পরিচালিত অভিযানে ৮টি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মোট ১ লাখ সাতষট্টি হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে বাসি খাবার, ময়লাযুক্ত খাদ্যোপকরণ, মেয়াদ তুলে ফেলা ক্যানড ফুড, অননুমোদিত এনার্জি ড্রিঙ্ক ধ্বংস করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ্, সহকারী পরিচালক (মেট্রো) পাপীয়া সুলতানা লীজা ও চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান ।

জনস্বার্থে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান। 

 

চট্টগ্রাম


শেয়ার