শেখ হাসিনায় দেখি অপরূপা বাংলার মূখ : রেজাউল করিম চৌধুরী





শেয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত খতমে কোরআন, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। 

 

৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আহবায়ক এস.এম আলমগীর এর সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহবায়ক এরশাদ মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত  আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, একজন মা যে ভাবে তার পরিবার, সন্তান-সন্ততি ও পরম মমতায় আগলে রেখে সংসারের সমৃদ্ধির জন্য দিনরাত নিঃস্বার্থভাবে খাটা খাটুনি করেন, দেশ ও জনগণের কল্যানের জন্য আমাদের মহান নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঠিক সেই ভাবেই কঠোর পরিশ্রম করে সফলতার সাথে দেশকে সমৃদ্ধ করে চলেছেন। একজন পথ শিশু, অটিস্টিক থেকে শুরু করে দেশের সকল নাগরিককে তিনি যথাযোগ্য সন্তান, ভাই, বোন, পিতা, মাতা তথা নিজের পরিবারের সদস্য মনে করেন। তিনি একজন সৃজনশীল মানুষ। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে বিশ্ববাসীর কাছে অতুলনীয় করে তুলেছেন। বাংলার প্রকৃতি, মাঠ, ঘাট, ফুল, পাতা, গান, কবিতা সর্বত্রই তিনি বিরাজমান। 

 

তিনি এসব ভালবাসেন, এসবের সাথে মিশেছেন, এসব থেকে শিক্ষা নিয়েছেন। তাঁর বেশ কিছু লিখনী প্রকাশিত হয়েছে যে গুলোতে তাঁর অনন্য মননশীলতা প্রকাশ পেয়েছে। আমরা দেখি আশ্রয়হীন অনাহারী মানুষের মুখ দেখে তিনি কাঁদেন। একজন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুর খুশিতে তিনি শিশুর মতই খুশী ও আনন্দিত হন। অপরাধী দমনে তিনি খড়্গ হস্ত। 

 

প্রবাদ বাক্যের মতই বলা যায় তিনি চুলও বাঁধেন, আবার রাঁধেনও ভাল। তিনি সাহসিকা জননী, তিনি জায়া, তিনি ভগিনি, তিনি রক্ষাকর্তী, তিনি ত্রাতা। আমরা দেখেছি তিনি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই কিভাবে এতটুকু ছাড় না দিয়েই সীমান্ত সমস্যার সমাধান করেছেন, সমুদ্রসীমা জয় করেছেন। পদ্মা সেতুর বাস্তবায়নে তাঁর অদম্য ইচ্ছা শক্তি, আত্মবিশ্বাস আর অসম সাহস বিশ্ববাসী দেখেছে।কঠোরতায় জঙ্গিবাদ, যুদ্ধাপরাধী দমন যেমন আমরা দেখেছি তেমনি দেখেছি শান্দিপূর্ণ  উপায়ে পার্বত্য শান্তি চুক্তি ও দক্ষিন বাংলার সশস্ত্র সর্বহারা পার্টির তান্ডব থামাতে। এমন দক্ষ অভিভাবক না হলে দেশের এমন উন্নয়ন ও অগ্রগতি কখনোই সম্ভব হতো না। আমরা তাঁর নিরোগ দীর্ঘায়ু কামনায় আল্লাহত আয়ালার নিকট প্রার্থনা জানাই।

 

এরশাদ মামুনের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিক আদনান, নগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ফরিদ মাহমুদ। 

 

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আকবরশাহ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী আলতাফ হোসেন, পাহাড়তলী থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাফফর আহম্মেদ মাছুম, আকবরশাহ থানার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন জাহেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান আলী ইউছুপ, মুজিবুর রহমান শরীফ, মো. আলী আহমেদ, ফেরদৌস খোকন, হারুন গফুর ভূইয়া, মো. সালাউদ্দিন সওঃ, শফিকুল ইসলাম মানিক, আবুল হাসনাত সৈকত, মো. জামাল উদ্দিন, মো. কামরুজ্জামান রুমান, ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক সাইমুন হোসেন, ইমরান আলী রাজু, ছাত্রলীগ নেতা আলী আকবর শাহীন। কোরআন খতম ও সভা শেষে  মিলাদ ও মুনাজাত পরিচালনা করেন নেছারিয়া মাদ্রাসা মসজিদের খতিব মৌলানা শহিদুল ইসলাম। 

 

মোনাজাত শেষে এলাকার এতিম, দুস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

চট্টগ্রাম


শেয়ার