অনলাইন নিউজপোর্টাল পরিস্থিতি ২৪ডটকম'র ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সম্পন্ন





শেয়ার

দেশবিদেশ২৪নিউজ ডেস্ক: উপমহাদেশের মহান বিপ্লবী স্বাধীনতা সংগ্রামী সংবাদপত্রের সম্পাদক ও সাংবাদিকতার পথিকৃৎ, সাহিত্যিক, দার্শনিক, লেখক, গবেষক, রাজনীতিবিদ ও চিন্তাবিদ মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর ৭০তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে স্বেচ্ছাসেবী সমাজ উন্নয়নমূলক সংগঠন পরিস্থিতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গতকাল ২৫ অক্টোবর রবিবার বিকাল ৩ ঘটিকায় নগরীর হোটেল এশিয়ান এস.আর. এর ব্যান্কুইট হলে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও পরিস্থিতি২৪ডটকম’র সম্পাদক এ কে এম আবু ইউসুফের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান।

সিএইচআরসি’র সভাপতি সোহেল মো. ফখরুদ-দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ ও পরিবেশবিদ লায়ন অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চসিক স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রহিম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও গ্লোব শিপিং লাইন্স-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ দিদারুল আলম চৌধুরী, ব্যাংকার দুলাল কান্তি বড়ুয়া, এনবি গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান, বাপউস’র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, সাংবাদিক-প্রাবন্ধিক নুর মোহাম্মদ রানা। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন স. ম. জিয়াউর রহমান, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইউনুস কুতুবী, লায়ন মো. আবু সালেহ, শিক্ষাবিদ মুরিদুল আলম, লায়ন ওসমান সরওয়ার, সাংবাদিক মির্জা ইমতিয়াজ শাওন, ব্যবসায়ী ওবাইদুল হক মনি, ইমতিয়াজ ফারুকী, কবি রথিন্দ্রজিৎ হিরু, খোবাইব হামদান, কে এম ইউসুফ, মোজাফফর আহমদ, এস এম শাহনেওয়াজ আলী মির্জা, রোটারিয়ান ডা. মনির আজাদ, বেলাল হোসেন উদয়ন, ইউসুফ জালাল, মো. রিদোয়ানুল হক জিদান, রোকন উদ্দিন আহমদ, সমীরন পাল, কালিম শেখ প্রমুখ।

 

বক্তারা বলেন, মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক, উদার মানবতাবাদী, সাংবাদিকতা জগতের পথিকৃৎ, ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর রাজনীতিবিদ, শিক্ষক এবং বিচক্ষণ সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর কর্ম ও ধ্যান ছিল সাধারণ মানুষের বহুমাত্রিক উন্নয়ন। মাওলানা ইসলামাবাদীর সমগ্র জীবন ছিল সংগ্রামী ও কর্মময়। শিক্ষকতা-সাংবাদিকতা, ধর্মপ্রচার ও রাজনীতিতে, সমাজসেবা ও শিক্ষা আন্দোলনে, নারী-শিক্ষায়, সাহিত্যকর্ম এবং একটি শিক্ষিত জ্ঞাননির্ভর ও উদারপন্থী জাতি প্রতিষ্ঠায় তাঁর সারাজীবনের ত্যাগ-তিতিক্ষা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বাঙালি চিরকাল স্মরণ করবে। বক্তারা আরো বলেন, জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী ছিলেন সংস্কারমুক্ত ও উদারপন্থী।

বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা পদ্ধতি প্রবর্তনের তিনি ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি সমাজসংস্কার ও শিক্ষা বিস্তারে ব্রতী হন। যা তৎকালীন প্রচলিত শিাব্যবস্থায় সম্ভব ছিল না। প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি প্রাচীন ও আধুনিক জাতির ইতিহাস, রাজনীতি, সমাজনীতি, দর্শন, রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, ভূগোল, ধর্মতত্ত্ব একই সাথে কৃষি-ব্যবসায় নীতি প্রভৃতি বিষয় প্রবর্তনের কথা তিনি ভেবেছিলেন। তিনি নারী শিক্ষাকে গুরুত্বের সাথে দেখেছিলেন। তাই বলা যায় বাংলা ভাষার ইতিহাসে ও জাতীয় জাগরণে মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর অবদান অপরিসীম। তাঁর জীবনকে সমাজসেবা ও দেশসেবায় উৎসর্গ করেছিলেন। তিনি ছিলেন মুসলিম জাগরণের অগ্রদূত ও মুসলিম বাংলা সাংবাদিকতার অন্যতম পথ প্রর্দশক। আমাদের জাতিসত্তা বিনির্মাণে মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর অবদান ইতিহাসের সোনালী পাতায় খচিত হয়ে থাকবে।

গণমাধ্যম


শেয়ার